আয়না রহস্য লেখা সোহেল আহমেদ

এই গল্পের রাজপুত্রের নাম অর্নব। এই যুগের রাজপুত্র তাকে বলা যেতে পারে। অর্থাৎ ঘোড়া বিহীন, রাজপ্রাসাদ বিহীন এ যুগের মধ্যবিত্ত পরিবারের রাজপু...


এই গল্পের রাজপুত্রের নাম অর্নব। এই যুগের রাজপুত্র তাকে বলা যেতে পারে। অর্থাৎ ঘোড়া বিহীন, রাজপ্রাসাদ বিহীন এ যুগের মধ্যবিত্ত পরিবারের রাজপুত্র। খুব ছোট বেলায় এই রাজপুত্রের বাবা মা মারা যায়। আপন বলতে ছিল তার বৃদ্ধ দাদা। যে তাকে ছোট থেকেই বড় করেছিল। প্রতিদিনের রাতে মতো আজ রাতে হঠাৎ......
অর্নব : দাদু উঠে গেছ....?? দাদু : হ্যাঁ অর্নব : তোমার আর্কিওলজির উপর অনেক রিপোর্ট করা ছিল না....?? আমি ওটাই খুঁজছিলাম। মানে আমি ইউনিভারসিটির জন্য আর্কিওলজির ওপর একটা থিসিস দিবো সো আই হোপ পেয়ে গেছি। দাদু : এতো কম আলোতে পড়তে নেই অর্নব..!! এতে চোখের ক্ষতি হয়। অর্নব : আচ্ছা ঠিক আছে আর পরব না। তুমি ঔষধ খেয়েছ....?? শুন আমরা রাত জাগতে হচ্ছে তুমি কিন্তু ঠিকঠাক মতো ঘুমিয়ে পড়বে...!! দাদু : হ্যাঁ ঔষধ খেয়েছি। আমরা যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য তো আলো জ্বালাওনি তাই না .......?? দাদু আলো জ্বালিয়ে দিল অর্নব : মানে আলো শেষ পর্যন্ত জ্বালাতেই হলো তাই তো....?? আচ্ছা দাদু প্রায়ই দেখিছি তুমি ওই আয়নার সামনে মন্ত মুগ্ধের মতো তাকিয়ে থাক...!! আচ্ছা বলতো যে এই আয়না কি বিশেষ কিছু আছে...?? দাদু : আছে.......এই আয়নার বিশেষ কিছু আছে। এই আয়না আর দশটা আয়নার মতো নয়। এটা অনেক দূর থেকে এসেছে অনেক দূর থেকে এসেছে অনেক দূর অতি রহস্যময় অর্নব : আচ্ছা দাদু তোমার কি হলো বলতো.....?? কি পাগলের মতো বলছ....?? দাদু : এই আয়না আমার আপনজনকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। এই আয়নাতে যাদু আছে। এর অনেক ক্ষমতা। আজ তোকে আমি একটা বিষয়ের বলব। যা আমি তোকে কখনোই বলিনি। এই আয়না,এই আয়না আ.. আ.. আ.. আ.. আ.. আ.. অর্নব : দাদু কি হয়েছে .....?? এসো বসো পানি খাবে...!! দাদু : এই আয়না আমাকে অনেকক অনেকক অনেক সেই রাতেই অর্নবের দাদু মারা যায়। এবং এভাবেই সেই রাজপুত্রর আবার একা হয়ে যায়। কিন্তু তার কাছে রেখে যায় ওই আয়নাটি। অর্নবের দাদু মারা যাওয়ার সময় বার বার ওই আয়নাটির ব্যাপারে কিছু বলতে চেয়েছিল এবং মারা যাওয়ার আগে আয়নার দিকে ইশারা দিয়ে কিছু একটা বলতে চেয়েছিল। রাজপুত্রের দাদু মারা যাওয়ার পর রাজপুত্রর এতোটাই শোকাহত হয়েছিল যে,আয়নাটির কথা সে ভুলে গিয়েছিল। কিছু দিন রাজপুত্রের সময় খুব খারাপ কাটলো। কিন্তু জীবন তো আর থেমে থাকে না। তাই কিছু দিন পর রাজপুত্র আবার স্বাভাবিক হয়ে গেল। এবং রাজপুত্রের জীবনে এক রাজকন্যার আগমন ঘটলো। আর তার নাম ছিল অরন্তি। তাদের প্রথমে দেখা হলো কলেজে। এরপর তাদের বার বার দেখা হতে থাকল। এবং কিছু দিনের মধ্য তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ঘরে উঠল। রাজপুত্র রাজকন্যাকে মনে মনে খুব ভালবাসতো। কিন্তু মুখ ফুটে কখন বলে উঠতে পারছিল না। কেননা তার মনের ভিতর একটা ভয় ছিল যে, সে ভালবাসার কথা বলতে গিয়ে যদি রাজকন্যার বন্ধুত্বের সম্পর্ক টুকু হারায়। তারপর রাজপুত্র ঠিক করল যে তাকে মনের কথা জানাবে। কিন্তু সেটা চিঠির মাধ্যমে। অর্নব : অরন্তি তোমাকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিন সেদিন থেকেই ..দূর হলো না আবার, কিভাবে শুরু করব বুঝতে পারছি না। তোমাকে যে কথাটা বলতে চাই সেটা মুখে বলতে পারছিনা বিধায় চিঠির আশ্রয় নিতে হলো। আমার এখনও খুব ভালো বন্ধু। এবং আশা করি আজীবন থাকব। তোমার সঙ্গ আমি কখনও হারাতে চাই না। তোমার বন্ধুত্ব হারাবো সেই ভয়ে আমি কিছু কথা আমি তোমাকে অনেক দিন হলো বলতে পারছি না। তবে আজ মনে হচ্ছে বেশি দেরি করাটা ঠিক হবে না। ভালবাসা প্রকাশের সঠিক ভাষাটা আমার জানা নেই। এজন্য হয়তো আচারনেও কখনও প্রকাশ পায়নি। তবে সত্যি কথা বলতে আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। অর্নব : হ্যাঁ এবার হয়েছে। পরের দিন কলেজে................ মামুন : কি হলো অর্নব ভাই...?? আজ খেলবে না...?? অর্নব : না। আজ একটু টেনশনে আছি। মামুন : টেনশন কিসের টেনশন....?? অর্নব : ধর অরন্তিকে আজ মনের কথা জানিয়ে দিব। মানে আমি বাসা থেকে চিঠি লিখে এনেছি। মামুন : চিঠি.....?? অর্নব : হ্যাঁ চিঠি। মামুন : এই মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে আপনি চিঠি দিবেন....??? অর্নব : এই যে ব্যাপারটা বুঝতে পারলি না। চিঠি লেখার ব্যাপারটা অনেক ক্লাসিক না...?? বিশেষ কিছু প্রকাশ বিশেষ ভাবে হওয়া উচিত। এই ধর কষ্ট করে আমি চিঠি লিখেছি আবার কষ্ট করে ওকে দিব। এখানে আমার স্পর্শ আছে না....?? মামুন : হ্যাঁ অর্নব : মোবাইল ইন্টারনেটে এটা নেই। মামুন : ভালো বলছেন। আমি কিন্তু এভাবে ভাবিনি। অর্নব : তোর এতো ভাবা লাগবে না খেল যা। এই শোন বলটা দে। আর তুই আমার সাথে থাক। মামুন : ওই এই নে বল খেল তোরা। মামুন : অরন্তি!!!! অর্নব : অরন্তি কেমন আছ.....?? অরন্তি : হ্যাঁ ভালো আছি। তুমি ....?? অর্নব : এই তো ভালো। আমি তোমাকে ফোনে ট্রাই করেছিলাম। অরন্তি : ও আচ্ছা দুঃখিত .... ক্লাস পরিক্ষা ছিল তো তাই মোবাইলে বন্ধ করে রেখেছিলাম। অর্নব : ও.... তুমি কি এখন ফ্রি....?? অরন্তি : না বাসায় চলে যেতে হবে। আজকে আমার মা-বাবা আসবে তো তাই ওদের কাছে আলাদা চাবি নেই। রনি : অর্নবের দিকে তাকিয়ে........ অর্নব : কি রে রনি তুই আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন....?? সমস্যা কি.....?? রনি : আমার সমস্যা কি....?? আমার...?? এটা আপনি করতে পারলেন....?? অর্নব : আমি কি করলাম....!! রনি : আমার সাথে মজা নিলেন ভালোই। আমি গেলাম আল্লাহ্ আপনার বিচার করবে। অর্নব : অরন্তির দিকে তাকিয়ে.... আজব একটা ছেলে। আসলে একটু বেশি পড়ালেখা করে কিনা। বেশি পড়তে পড়তে মাথা শেষ....পাগল হয়ে গেছে। অরন্তি : আচ্ছা ঠিক আছে... আমি তাহলে আসি। তুমি খেল। অর্নব : না...না...না... মানে আজকে খেলব না। এখন আমি ফ্রি আর কি। আচ্ছা অরন্তি আমি কি তোমাকে তোমার বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে পারি...?? অরন্তি : হ্যাঁ সিওর. মামুন : অর্নব ভাই একটু দূরে থেকে...!! অর্নব : হ্যাঁ কি...?? মামুন : কি হলো খেলবেন না...?? মানে খেলা তো শুরু হয়ে যাচ্ছে। অর্নব : কি....?? মামুন : আচ্ছা আমি আসব....?? অর্নব : না.... না.... তোরা খেল আমি আসছি প্লিজ.. মামুন : আচ্ছা ঠিক আছে বুঝছি। হাঁটতে হাঁটতে বাসার উদ্দেশে......... অরন্তি : অর্নব......!! অর্নব : হ্যাঁ অরন্তি : ওটা আমার বাসা। ওটার তিন তলায় আমি থাকি। অর্নব : মনে মনে ওকে ছাড়তে চাইছিল না। ও তাহলে চলে যাচ্ছ...?? অরন্তি : হ্যাঁ। ওয়েট........ এই চকোলেট টা তোমার জন্য। ঠিক আছে আজ তাহলে যাই। কাল আবার দেখা হবে। অর্নব : হ্যাঁ। অরন্তি.......!! অরন্তি : হ্যাঁ অর্নব : এইটা তোমার জন্য চিঠিটা দিয়ে। অরন্তি কিছু দূরে গিয়ে পিছনের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়িয়ে বিদায় জানিয়ে মুচকি হেসে বাসায় ঢুকে যায়। কিন্তু অরন্তি কিছু একটা বলার জন্য বের হয়। এদিকে অর্নবের সাইকেলের চেন পড়ে যায়। একটু পরেই রাস্তার ওপর দিয়ে খুব জোরে একটা গাড়ি ছুটে যায়। এবং সেটার সাথে এক্সিডেন্ট হয় অরন্তির। অর্নব পাগলের মতো ছুটে গিয়ে অরন্তিকে বাঁচাবার জন্য চারিদিকে সাহায্যের জন্য চিতৎকার করে। কিন্তু তখন রাজকন্যা না ফেরার দেশে চলে যায়। সেদিন রাজপুত্র বাসায় গিয়ে অনেক কেঁদেছিল। কারণ রাজকন্যার উপস্থিতি তার জন্য খুবই আনন্দদায়ক ছিল বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা ছিল। রাজকন্যার এই অকালে চলে যাওয়াটা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না। রাজপুত্রের মন এটা কোনো ভাবে মেনে নিতে পারল না। সে রাজকন্যার সাথে কাটানো সময়গুলো চোখ বন্ধ করে দেখতে লাগল। এবং খুব কষ্টও পেতে থাকল। তার দেওয়া চকোলেট টা হাতে নিয়ে অনেক কান্না করল অনেক। তারপর রাজপুত্রের সেই আয়নাটার দিকে চোখ পরল। এবং উঠে সে আয়নার সামনে গেল এবং তখন তার দাদুর কথা মনে পড়ল। দাদুর কথা : এই আয়না আর দশটা আয়নার মতো নয়। এই আয়না আমার আপনজনদের ফিরিয়ে দিয়েছে। এই আয়নায় যাদু আছে। অর্নব : আচ্ছা..... আয়না মানে মানে তুমি কি সত্যি আপনজনদের ফিরিয়ে দিতে পার....?? সত্যি কি তোমার মধ্যে যাদু আছে.....?? আমি না সত্যি খুবই হেল্পলেস.. প্লিজ আমাকে সাহায্য করবা...?? আমি অরন্তিকে ছাড়া থাকতে পারব না প্লিজ..... একটু পরে.......... একবার যে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায় তাকে কি ফিরিয়ে আনা যায়...?? অর্নব : কে তুমি.....?? আয়নার ভিতর থেকে...... আমি সেই আয়না যার কাছে তুমি এইমাত্র সাহায্যে চাইলে। আমি তোমার প্রতিছবির আশ্রয় নিয়েছি তোমার সাথে কথা বলার জন্য। অর্নব : কিন্তু এটা কি করে সম্ভব....?? আয়নার ভিতর থেকে...... তোমার কাছে অনেক কিছুই অসম্ভব। তাই বলে কি পৃথিবীতে কোনো রহস্য নেই....?? বলতে পারো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্যর সামনে তুমি এখন দাড়িয়ে। আয়নার ভিতর থেকে........ আয়না এই জগতটাই তো আলাদা অর্নব কিছু জিনিস না...!! যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। তুমি আমাকে বরং যুক্তিহীন রহস্য বলে মেনে নাও। যার সমাধান তোমার সাধ্যের বাইরে হা হা হা হা হা হা অর্নব : আচ্ছা তুমি কি পারবে আমার অরন্তিকে ফিরিয়ে দিতে। আয়নার ভিতর থেকে....... দেখ অর্নব মৃত মানুষকে আবার জীবিত করা যায় না। তবে তার মৃত্যুর আগে যদি চেষ্টা করা যেত তাবে, তাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচান যেত। কিন্তু তুমি তা করোনি। অর্নব : আমি অরন্তি বাঁচানোর সুযোগ পাইনি। আমাকে কোনো সময় দেওয়া হয়নি। সবকিছু মুহূর্তের মধ্যে ঘটে গিয়েছে। আয়নার ভিতর থেকে........ ও.... ও..... সুযোগ চাও তুমি....?? অর্নব : হ্যাঁ কিন্তু সেটা কি রকম....!! আয়নার ভিতর থেকে......... আমি তোমাকে অতীতে যাওয়ার একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারি। অর্নব : অতীতে....!! আয়নার ভিতর থেকে......... হ্যাঁ অতীতে যেয়ে তুমি চেষ্টা করে দেখতে পারো যে অরন্তিকে বাঁচানো যায় কি না। তবে কাজটা তোমাকে করতে হবে অনেক গুলো শর্ত মেনে নিয়ে। অর্নব : অরন্তিকে বাঁচানোর জন্য আমি পৃথিবীর যে কোনো শর্ত মানতে রাজি আছি। আয়নার ভিতর থেকে........ হা..... হা..... ঠিক আছে। অতীতে যাবার জন্য তুমি তিন বার সুযোগ পাবে। আর এই তিন বার সুযোগের মধ্যেই অরন্তিকে দূর ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। অর্নব : হ্যাঁ। আর শর্তগুলো....?? আয়নার ভিতর থেকে........ হ্যাঁ শর্ত ০১ : তোমাকে এই আয়নার ভিতর দিয়ে অতীতে পাঠানো হবে। তার মানে এই আয়নার জগত তোমার অতীতের জগত। আর সেটা বাস্তব জগতের থেকে কিছুটা ভিন্ন। শর্ত ০২ : তুমি অতীতে যাবে নতুন এক অর্নব হয়ে। অর্থাৎ সেখানে এখনকার অর্নবও থাকবে। তুমি হবে ভবিষ্যত থেকে আগত দ্বিতীয় অর্নব। আর প্রথম অর্নব যদি কোনো ভাবে কোনো ভাবে তোমাকে দেখে ফেলে তাহলে, তোমার ভ্রমণ ওখানেই শেষ। আর তুমি হয়ে যাবে সারা জীবনের জন্য হা হা হা হা এই আয়নায় বন্দী। শর্ত ০৩ : আমি তোমাকে আগেই বলেছি যে অতীতে যাওয়ার জন্য তিন বার সুযোগ পাবেন। অরন্তির মৃত্যু হয়েছিল দুপুর ১ টায়। তার এক ঘণ্টা মানে ৬০ মিনিট পূর্বে তোমার প্রথম বারের ভ্রমণ শুরু হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বারে তুমি ২০ মিনিট করে সময় কম পাবে। দ্বিতীয় ভ্রমণ হবে অরন্তির মৃত্যুর ৪০ মিনিট পূর্বে। আর তৃতীয় বারের ভ্রমণ শুরু হবে অরন্তির ২০ মিনিট পূর্বে। অর্নব : হ্যাঁ কোনো সমস্যা নেই। সব কিছু ঠিক আছে। আমি এখনই যেতে চাই। আয়নার ভিতর থেকে........ আগে ভেবে দেখ, ভেবে দেখ....!! মানে কাজটাকে তুমি যতটা সহজ মনে করছ...!! কাজটা ততটা নাও হতে পারে। অর্নব : না..... না..... আমি ভেবেছি। প্রশ্নটা যখন আমার অরন্তিকে বাঁচাবার তখন তখন সহজই কি আর কঠিনই কি আমি যাব। আয়নার ভিতর থেকে...... ভালো খুব ভালো তাহলে কি বলো ভ্রমণ শুরু করা যাক। অর্নব : হ্যাঁ নিসন্দেহে। আয়নার ভিতর থেকে হুম নাও এবার আমার হাত স্পর্শ করো। অর্নব : আ....!! অর্নব আয়নাতে স্পর্শ করে একটা যটকা খায় এবং একটুর মধ্যে সে তার একটু আগে ঘটে যাওয়া দূঘটনার দেখতে পায়। এবং তাকে আয়নার জগতে স্বাগতম জানানো হয়। এবং বলা হয় যে, বর্তমানে তুমি অতীতকালে অবস্থান করছ। এবং তোমার হাতে আছে মাত্র ৬০ মিনিট। তারপর অর্নব বেরিয়ে পরে বাসা থেকে এবং বের হওয়ার পর রাস্তায় একটি খুব স্বজরে বেরেক মারে। তারপর......... অর্নব : এই কি সমস্যা আপনার....?? দেখে গাড়ি চালাইতে পারেন না.....?? ড্রাইভার : আপনার সমস্যা কি....?? এইভাবে কেউ রাস্তা পার হয়...!! অর্নব : কিভাবে রাস্তা পার হয়....!! ড্রাইভার : আর একটু হলেই তো গাড়ির নিচে পরতেন। আর সব দোষ তো তখন হয়ত আমার। অর্নব : এই মিয়া আপনি উল্টা পাশ দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন কেন.....?? ড্রাইভার : এই মিয়া...?? এইটা উল্টা পাশ...?? মাথা চিক আছে না গেছে....!! আয়নার ভিতরের কথা মনে পরে তখন অর্নবের.... আয়নার ভিতরের কথা...... আয়নার জগত হচ্ছে তোমার অতীতের জগত। আর সেটা ওই বাস্তব জগতের সাথে কিছুটা ভিন্ন। অর্নব : ও হ্যাঁ আমি তো এটা উল্টো পাশে স্যরি ভাই। ড্রাইভার : স্যরি হ্যাঁ ?? কিসের স্যরি !! অর্নব : স্যরি ভাই ড্রাইভার : কি নেশা টেশা করেন নাকি....??? অর্নব : না...... না.... ভাই আমি একটু অসুস্থ বোধ করছি। ড্রাইভার : অসুস্থ অসুস্থ আপনাদের এটাই কাজ সারাদিন নেশা করবেন আর অপকর্ম করে বেড়াবেন। অর্নব : স্যরি ভাই... ড্রাইভার : পাগল......... তারপর অর্নব কলেজে যায়। এবং আয়নার কথা মনে পরে। আয়নার কথা....... তুমি অতীতে নতুন এক অর্নব হয়ে যাবে। অর্থাৎ সেখানে এই সময়কার অর্নব থাকবে। অর্নব সেখানে অরন্তিকে দেখতে পায়। কিন্তু অরন্তির সামনে সে যাইতে পারে না। এই জন্য যে যদি প্রথম অর্নব যদি দেখতে পারে তাহলে তার ভ্রমণ সেখানেই শেষ। তাই সে মুখ লুকিয়ে হেঁটে অন্য দিকে সরে যায়। তারপর....... অর্নব : রনি তুই আমার একটা উপকার করবি....?? রনি : বলেন ভাই. অর্নব : ওই অরন্তি আছে না.....!! অরন্তির ক্লাস শেষ। রনি : কোন অরন্তি.....?? অর্নব : আরে ও ও, রনি : ও চিনতে পারছি ভাই। বলেন অর্নব : ও ঐ বিবিএ বিল্ডিং এর সামনে ক্লাস শেষ। তুই যাবি ওকে ডেকে নিয়ে আসবি। আমি আছি ওই এডমিন বিল্ডিং এর পিছনে। ওর সাথে আমার জরুরি কথা আছে। তুই ওকে ডেকে নিয়ে আয়। রনি : কিন্তু ভাই.....!! আমার লাইব্রেরিতে এই বইগুলো জমা দিতে হবে। অর্নব : না... না... লাইব্রেরিতে এখন বই দেওয়া যাবে না। আমার সময় নেই। আমার হাতে সময় খুব কম। তুই যা ডেকে নিয়ে আয়। বইগুলো আমাকে দে......... রনি : একটা বই হারালে আমার কিন্তু সর্বনাশ হয়ে যাবে। আপনি গেলেই তো পারেন। অর্নব : আরে...... আমি ওখানে যেতে পারছি না....!! আমি ওখানে আছি না......!! রনি : আপনি ওখানে আছেন মানে ওখানে.....!! অর্নব : আমি ওখানে আছি মানে আমি মানে আমি ওখানে আছি.... রনি : মানে কি......?? অর্নব : আমি তো ওখানে নেই। আমি তো ওখানে আছি। রনি : আচ্ছা ঠিক আছে আমি যাচ্ছি অর্নব : তুই যেয়ে নিয়ে আসবি প্লিজ রনি : আমি যাচ্ছি আমি যাচ্ছি। কোথায় আসতে বলব.....?? অর্নব : এডমিন বিল্ডিং এর পিছনে। মনে থাকবে....?? রনি : কোথায়.....?? অর্নব : এডমিন বিল্ডিং এর পিছনে। যা....... অর্নব এডমিন বিল্ডিং এর পিছনে লুকিয়ে লুকিয়ে অপেক্ষা করছিল। কিন্তু অরন্তির কোনো খবর নেই। একটু পরে রনি ফিরে আসে..... তারপর...... অর্নব : রনি.......!! এই রনি....!! এই দিকে আয় রনি : আসছি অর্নব : অরন্তি কোথায়....?? রনি : আপনি কি আমার সাথে মজা নিচ্ছেন....?? অর্নব : মজা নিচ্ছি মানে....!! রনি : রেগে..... মজাই তো নিচ্ছেন। আমার ও সময় আসবে। অর্নব : রনি...!! রনি....!! এই শুন....?? এই কি বলছিস....!! কোথায় মজা নিলাম। আয়নার কথা মনে পরে অর্নবের..... সেখানে ওই সময়কার অর্নবও থাকবে। আর তুমি হবে ভবিষ্যৎ থেকে আগত দ্বিতীয় অর্নব। তারপর আবার রনির কথা মনে করে.... অরন্তি ডেকে নিয়ে আসবি আমি এই এডমিন বিল্ডিং এর পিছনে। অর্নব আগের কথাও মনে পরে। যে রনি তাকে একই একা কথা। মানে মজা নেয়ার কথা আগেও বলেছিল। একটু সামনের দিকে এগিয়ে যেতেই মামুনের সাথে দেখা হয় অর্নবের। একটু সাইটে এনে.... তারপর........ অর্নব : এখানে বস...!! মামুন : আরে... এখানে বসব কেন....!! এখানে কি ময়লা মধ্যে বসব কেন....?? অর্নব : না..... না.... অন্য জায়গায় স বসা যাবে না। এই এই অরন্তিকে দেখেছিস....?? মামুন : অরন্তিকে দেখব...!! মজা নেন.....?? অরন্তিকে একটু আগে আপনি নিয়ে চলে গেলেন...?? তারপর তো আর দেখিনি। অর্নব : না..... না.... বল না কতখন আগে......?? মামুন : কত ৫-১০ মিনিট....!! অর্নব : ৫ না.....?? ১০ মিনিট...?? সেটা বল...?? মামুন : আরে ভাই....!! আপনি জানেন না আপনি কতখন আগে নিয়ে গেছেন....?? ৫-১০ মিনিটের মতোই হবে। অর্নব : ও শীট! তাহলে আমার এখনই যেতে হবে। মামুন : আচ্ছা আচ্ছা। কি দাঁড়ান দাঁড়ান। বুঝি তো ভাই আপনি টেনশনে আছেন। চলেন চা খাই তারপর একসাথে যাব। অর্নব : না ভাই আমার চা খাওয়ার সময় নাই। একদমই নাই বুঝছিস....!! সব কিছু অলোট পালট হয়ে যাবে। আমার অরন্তির বাসার সামনে যেতে হবে। মামুন : আচ্ছা আচ্ছা। আমিও ওই দিকে যাব। আমি আপনাকে আমার গাড়ি দিয়ে ড্রপ করে দিচ্ছি। তাড়াতাড়ি যেতে পারবেন। অর্নব : ও হ্যাঁ। তাড়াতাড়ি...... তাহলে খুব ভালো হয়। চল...... মামুন : আচ্ছা আচ্ছা দাঁড়ান। এই নেন চাবি। চাবিটা নেন। আপনি গাড়িতে গিয়ে বসেন। আমি ২ মিনিটের মধ্যে আসছি। অর্নব : তুই দেরি করবি....!!! মামুন : না..... না.....ভাই দেরি করব না। আপনি বসেন। অর্নব : দেরি করবি না..... আচ্ছা যা। অর্নব মুখ লুকিয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যায় এবং তারপর........ অর্নব : (মনে মনে) মামুন এখনও আসছে না কেন....?? আসলে আমার ওকে ধরে নিয়ে আসা উচিত ছিল। হাতে তো সময়ও নেই। এক দিকে মোবাইলেরলেখাগুলো পড়া যাচ্ছে না। সব কিছু উল্টো। না........ মামুনের জন্য আর অপেক্ষা করা যাবে না। আমাকে যেতে হবে। অর্নব : (মনে মনে) পিকআপ ডান দিকে। এক্সেলেটর টা বা দিকে। রাস্তায় আমার ডান পাশ দিয়ে চালাতে হবে। না একদম ভুল করা যাবে না। অর্নব অরন্তির বাসার সামনে যায় এবং গিয়ে সেখানে ওই সময়কার অর্নবকে দেখতে পায়। সে সামনের দিকে এগিয়ে যেতেই তার গাড়ির সাথে অরন্তির এক্সিডেন্ট হয় । তারপর সেখান থেকে তাড়াতাড়ি চলে যায়। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস তাই না.....?? মনে আছে আয়না তাকে বলেছিল। যে অতীতে যাওয়ার জন্য সে তিনবার সুযোগ পাবে। তারপর.......... আয়নার ভিতর থেকে........ আমি খুবই দুঃখিত অর্নব। তুমি তোমার অরন্তিকে বাঁচাতে পারোনি। বরং তোমার নিজের হাতে অরন্তি মারা গেছে। অর্নব : আমি দ্বিতীয় বার সুযোগ চাই। এবার আমি অরন্তিকে বাঁচাবোই। আর ওই গাড়িতে যেহেতু অরন্তির মৃত্যু হয়েছে। আমি এই গাড়িকে আটকাবো। ওই গাড়ি কোনো ভাবে অরন্তির বাসায় সামনে যাবে না। আয়নার ভিতর থেকে........ ঠিক আছে যেমনটা তুমি চাও। তুমি কি অতীতে আবার যাওয়ার জন্য প্রস্তুত.....?? অর্নব : হ্যাঁ। আয়নার ভিতর থেকে....... আয়নার জগতে তোমাকে স্বাগতম বর্তমানে তুমি অতীত কালে অবস্থান করছো আর তোমার হাতে আছে ৪০ মিনিট .. অর্নব আবারও কলেজে যায় এবং গিয়ে মামুনের সাথে থাক্কা খায়.... তারপর....... মামুন : আরে ভাই.....!! কি...?? বসেন আপনি। কি হয়েছে ভাই আপনার....?? অর্নব : শুন....!! আমি (এদিকে ওদিক তাকিয়ে) আমি ওই দিকে বসব। মামুন : কি করে...?? কি যে করেন আপনি এইগুলো....?? কি করছেন...!! রক্ত বের হচ্ছে তো। অর্নব : ও তো কি করব....!! মামুন : উফ ভাই আচ্ছা। কি করে আসছেন...?? বলেন তো। এই অবস্থা কেন....?? মানে আপনার রক্ত বের হচ্ছে। অর্নব : মানে। আমি তোর কাছেই আসছিলাম। হ্যাঁ আমি ওখানে পরে গেছিলাম। তাই এখানে ব্যথা পেয়েছি। মামুন : আচ্ছা আপনি দাঁড়ান আমি এখনই দাঁড়ান ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছি। অর্নব : আচ্ছা শুন শুন....!! এই শুন মামুন : বলেন অর্নব : তোর গাড়িটা কোথায়....?? মামুন : আমার গাড়ি আজকে বাহিরে পার্ক করছি । অর্নব : তোর পকেটে সবসময় ব্যান্ডেজ থাকে কেন....?? মামুন : হ্যাঁ। পকেটে সবসময় নিয়ে রাখি। ওই বাস্কেটবল খেলি না...!! তো মাঝে মাঝে ছিলে যায় আর কি। কেটে যায় মাঝে মাঝে লাগাই। অর্নব : সবসময় থাকে না...?? গাড়ি বাহিরে না....?? গাড়ি বাহিরে তো না... !! মামুন : হ্যাঁ। একটু একটু......... অর্নব : গাড়ি যদি কেউ নিয়ে যায় তোর গাড়ি....?? মামুন : আরে ভাই....!! গাড়ি কে নিবে.....?? আশ্চর্য কথা বলছেন। গাড়ি আমার লক করা না....!!গাড়ি তো লক করে আসছি। অর্নব : নিশত তুই.....?? মামুন : হ্যাঁ। চা নিয়ে আসি...!! বসেন আপনি এখানে। যাবেন না কোথাও। অর্নব : (ব্যান্ডেজটা তুলে) হ্যাঁ গাড়ি লক করা. এদিকে মামুনের কল আসে। তারপর....... মামুন : ধরেন চা টা ধরেন অর্নব : এই....!! ফোন কি তোর....?? মামুন : হ্যাঁ আমার। অর্নব : আরে কি উল্টা পাল্টা নাম দিয়ে সেভ করে রাখছিস কিছু বুঝলাম না। একটা ফোন আসছিল। মামুন : ব্যান্ডেজটা খুলে ফেলছেন কেন....?? অর্নব : ধূর....!! এইসব কিছু ভালো লাগছে না আমার। এই শুন....!! আমি একটা কথা বলি। তোর গাড়িটা আমার এখানে রাখ না....!! আচ্ছা আমার চোখের সামনে এনে রাখ না। মামুন : আচ্ছা ভাই আপনি কি শুরু করছেন....?? মাথায় এগুলো করে আসছেন। আবার গাড়ি নিয়ে পরতেছেন.....?? গাড়ি নিয়ে কি করবেন.....?? অর্নব : তোর গাড়ি যদি কেউ চুরি করে নিয়ে যায়....?? মামুন : আরে ভাই ইউনিভারসিটি সামনে থেকে গাড়ি কে নিয়ে যাবে....!! গাড়ি লক করা না.....?? বলেন.....!! অর্নব : আমার কথা শুন.... লক করা তো...!! আমার বন্ধুর গাড়ি এই রকম কিছু দিন আগে চুরি হয়ে গেছে। এই জন্য বলতেছি বার বার। তুই প্লিজ রাখনা রাখতে সমস্যা.....??? চোখের সামনে থাকলে আমার একটু আরাম লাগবে। মনে তোর গাড়ি চুরি হয়ে গেলে আমার সমস্যা না....!! মামুন : আচ্ছা ঠিক আছে গাড়ি আনতেছি। দেন চাবিটা দেন.... অর্নব মামুনের মুখের দিকে তাকিয়ে কিছুটা আশ্চর্য হয়ে যায়। এবং তার একটু আগের কথা মনে পরে যে...... মামুন : এই যে চাবিটা নেন। আপনি গাড়িতে গিয়ে বসেন আমি ২ মিনিটে আসতেছি। অর্নব : না না... মামুন : চাবি হারিয়ে ফেলছেন.....?? তারপর রাজপুত্র সেখান থেকে দ্রুত দৌড় দেয় এবং রাজকন্যার বাসার সামনে যায়। আর গিয়ে দেখে রাজকন্যার আবার এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। আসলে সময়ের ভ্রমণ গুলো একটু রহস্যময় হয়। রাজপুত্রের হাতে আর মাত্র এক বার সুযোগ আছে অতীতে যাওয়ার। সে কি পারবে অরন্তিকে বাঁচতে.....!! তারপর......... আয়নার ভিতর থেকে........... আমি তোমাকে আগেই বলেছি। কাজটাকে তুমি যতটা সহজ মনে করছ ততটা সহজ নাও হতে পারে। তোমার কাছে আর একবার সুযোগ আছে...... তুমি কি শেষ বারের মতো যাবে.....??? অর্নব : অরন্তি তো বাসার ভিতরে ঢুকে গিয়েছল। কিন্তু আবার কেন বের হলো.....?? যে করেই হোক ওর বাসা থেকে বের হওয়া আটকাতে হবে। আর আমি আটকাব...... আমি যাব। আয়না আমি শেষবার যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। আয়নার ভিতর থেকে............ যেটা তুমি ভালো মনে কর।নাও আমাকে স্পর্শ কর। তারপর........ বর্তমানে তুমি অতীত কালে অবস্থান করছ এবং হাতে আছে ২০ মিনিট। এরপর..... অর্নব রিক্সা নিয়ে অরন্তির বাসার সামনে যায় এবং তারপর অতীত কালের অর্নব তিন তলায় উঠে অরন্তির আসার জন্য অপেক্ষা করে। এবং অরন্তি উঠে আসে এবং অর্নবকে দেখে আশ্চর্য হয়ে যায় এবং কিছুটা ভয়ও পায়। তারপর...... অরন্তি : অর্নব....!! অর্নব : হ্যাঁ অরন্তি : কিভাবে সম্ভব! অর্নব : শুন...!! আমার কথা শুন...... অরন্তি : নো (এই বলে বায়ের এর দরজা আটকে দেয়) অর্নব : অরন্তি.... অরন্তি.... এই অরন্তি কিন্তু আবারও অরন্তি মারা যায়......... তারপর....... অর্নব : আমার কারনে অরন্তির মৃত্যু হয়েছে। অরন্তির মৃত্যু জন্য আমি দায়ী আমি। আমি অতীতে গিয়েছিলাম বলেই..... সব আমার দোষ সব আমার দোষ..... কিন্তু আমি অতীতে গেলাম কেন.....?? অরন্তির মৃত্যু না হলে তো আমার মানে আমার অতীতে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না...!! এই কারনেই অরন্তির মৃত্যু হয়েছে। আমি অতীতে গিয়েছি বলেই এতো সব। এইসব আমি আমি......আমি নিতে পারিছি না। কেমন জানি আমি মায়া জালে আটকে গেছি। আয়নার ভিতর থেকে............ হা হা হা হা হা হা হা হা হা অর্নব : এই তুমি বল....?? কেন তুমি আমাকে এমন একটা ত্রিভুজ মায়া জালে আটকে দিলে....?? আয়নার ভিতর থেকে............ হা হা হা হা হা হা হা হা হা অর্নব : এই খবরদার হাসবি না.... এখন আমার নিজেকে খুনি মনে হচ্ছে। আয়নার ভিতর থেকে..... হা হা হা হা হা হা হা হা হা অর্নব : এই হাঁসবি না আয়নার ভিতর থেকে......... এ হা হা হা হা হা হা হা অরন্তিকে তার চারপাশে দেখতে পারে অর্নব। সামনে পিছনে ডানে বামে সবখানে.......... কিন্তু কেউ নেই।

সমাপ্ত Ads:

COMMENTS

BLOGGER: 1
Loading...
Name

অন্য বিষয়ের উপর লেখা ইবুক কবিতা গল্প/কবিতা লেখার প্রতিযোগিতা জীবনের সত্য ঘটনা থ্রিলার গল্প দেশের গল্প পিশাচ কাহিনী ভালোবাসার গল্প ভৌতিক গল্প রম্য গল্প রহস্য গল্প সায়েন্স ফিকশন হরর গল্প
false
ltr
item
Bengali pdf and story blog: আয়না রহস্য লেখা সোহেল আহমেদ
আয়না রহস্য লেখা সোহেল আহমেদ
https://3.bp.blogspot.com/-g8PchLEMTgA/Wm3762cWLvI/AAAAAAAAAhg/J8s3kEzlFE4rhYRs0d1As38mf-YtWcyoACLcBGAs/s320/1516624361194.jpg
https://3.bp.blogspot.com/-g8PchLEMTgA/Wm3762cWLvI/AAAAAAAAAhg/J8s3kEzlFE4rhYRs0d1As38mf-YtWcyoACLcBGAs/s72-c/1516624361194.jpg
Bengali pdf and story blog
http://bhootgoyenda.blogspot.com/2018/01/blog-post_28.html
http://bhootgoyenda.blogspot.com/
http://bhootgoyenda.blogspot.com/
http://bhootgoyenda.blogspot.com/2018/01/blog-post_28.html
true
7257552463787474279
UTF-8
Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy